কম্পিউটার যেভাবে ব্রেইন নিয়ন্ত্রণ করবে

মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গে যুক্ত থাকবে চিপ। আর সেই চিপের মাধ্যমে শুধুমাত্র মানুষের ভাবনায় নিয়ন্ত্রিত হবে কম্পিউটার থেকে স্মার্টফোনের মতো ডিভাইস ৷ যা স্পর্শ করার দরকার পড়বে না । এত দিন কল্পবিজ্ঞানের ছবিতে তা দেখা গেলেও ৷ এবার নিউরোলিঙ্ক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করেছে এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স ৷ নিউরালিঙ্ক হলো একটি ছোট্ট চিপ , যা মানুষের মস্তিষ্কের ভিতরে ইমপ্ল্যান্ট করা হয়৷


How to work neuralink.

আপনার ব্রেইন তৈরি হয় নিউরন এর সাহায্যে। এই নিউরনগুলো একে অপরের সঙ্গে কানেক্টেড থাকে এবং তারা সাইন্যাপস এর মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে কমিউনিকেট করতে পারে। অর্থাৎ সাইনিক স্কুল হল নিউরনের কানেক্টিং পয়েন্ট।আর এখানে কেমিক্যাল সিগন্যাল এর সাহায্যে এরা একে অপরের সঙ্গে কমিউনিকেট করে যাকে।এদেরকে নিউরোট্রান্সমিটার বলা হয়ে থাকে। 

আপনার প্রত্যেকটা অনুভূতি যা কিছু আপনি জীবনে অনুভব করতে পারেন সেগুলো শুধুমাত্র নিউরনের ইলেকট্রিক সিগন্যালকে ফায়ার করা। অন্যভাবে যাকে অ্যাকশন পটেনশিয়াল বলা হয়ে থাকে।যখন নিউরনস বাইক তৈরি হয় তখন ঐ নিউরোট্রান্সমিটার রিলিজ হয়।তারপর ইনফর্মেশন সাইন্স এর মাধ্যমে একটা নিউরন থেকে আরেকটা নিউরোনের মধ্যে চলে যায়।আর এই প্রচেষ্টাকে আপনি 100 বিলিয়ন গুণ বাড়িয়ে দিন তাহলেই যেটা বেরোবে সেটা হল আপনার ব্রেইন। 


Neuralink cheap

ইলেকট্রন এর মাধ্যমে নিউড়ালিনক কিংবা অন্যান্য মেডিকেল ইকুইপমেন্ট আপনার ব্রেন অ্যাক্টিভিটি কেমেরার করতে পারে। কোন ইলেকট্রন কে নিউরনের কাছে রাখলে সেখানে যদি কোন অ্যাকশন পটেনশিয়াল তৈরি হয়। তাহলে তাকে ডিটেক্ট করা যায় এবং সেটাকে অন্য কোন  মেশিনে ট্রান্সপার করা যায়। আর এই প্রচেষ্টাকে নিউড়ালিনক তাদের অ্যাডভান্টেজ অনুযায়ী ইউজ করতে চলেছে বা বলতে পারেন করছে। 

আমাদের ব্রেনের মধ্যে দুটো মেন সিস্টেম আছে। একটা হল লিম্বিক সিস্টেম এবং আরেকটা হল কর্টেক্স আর এরা একে অপরের সঙ্গে একটা রিলেশন এর মধ্যে থাকে।আপনার লিম্বিক সিস্টেম আপনার ইমোশান গুলো কে কন্ট্রোল করে। আর আপনার কৌর টেক্স আপনার প্রবলেম সলভিং ইসকিল কে ম্যানেজ করে। তাছাড়া কন্ট্রোল করে আপনার ক্রিটিক্যাল থিংকিং। আর এখানেই থাকে আপনার কনসাসনেস নিউরোলিন এর একটা থার্ড লেয়ার তৈরি করতে চায়। আর এর জন্য দরকার একটা মেডিকেল ডিভাইস ইম্প্লান্টেশন। যা আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষমতা কে কয়েকগুণ বেশি বাড়িয়ে দিতে চলেছে। এর সাহায্যে আমরা রেগুলারলি যত নিউরনকে ব্যবহার করি তার থেকে অনেক গুন বেশী নিউরনকে ব্যবহার করতে পারব। 

যেগুলো আমরা সাধারণত কোন কিছুকে মনে রাখার জন্য ব্যবহার করি। কিংবা ব্রেনের এমন কিছু পাঠ যেটা আর একটিভ নেই। এটা কোন মেডিকেল পেশেন্টের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। এদের মধ্যে এমন এমনও আছে যাদের সুস্থ হওয়ার কোন অপশনই নেই।ইলন মাস্ক চেষ্টা করছে যে এই ডিভাইস ইম্প্লান্টেশন এর প্রচেষ্টাকে যতটা সম্ভব বানানোর মোটামুটি বলতে পারেন। চোখের লেন্স বসানোর মত ইজি। তবে প্রশ্ন হল কেন? আমাদের এই জিনিসটা দরকার অনেকেই জিনিসটা শুনে থাকে। কিন্তু ব্যাপারটা কেউ ভুলতে পারে কিনা আমি জানিনা আমাদের কোন কিছু বুঝতে দেরি হলে বলা হয় যে এর ব্রেইন স্লও আছে এটা হয়। কারণ আমাদের ব্রেনের মধ্যে কোন ইনফরমেশন কে ইনপুট কিংবা আউটপুট করতে একটা সময় লাগে। 

মানে ধরুন কোনো কিছুকে যদি আপনি টাইপ করতে চান।তাহলে সেটা আপনার মাথার মধ্যে ভাবতে হবে এবং কিবোর্ড কে ব্যবহার করে হাতের সাহায্যে টাইপ করতে হবে। তাহলে আপনি ভাবলেন মাথার মধ্যে। কিন্তু, তা সত্ত্বেও সেটা কি আপনার টাইপ করতে হলে আপনার হাতকে ব্যবহার করতে হবে। এই পুরো প্রচেষ্টার মধ্যে একটা ঢিলে আছে। আপনি যদি কিছু শিখতে চান তাহলে তার জন্য হয়তো আপনার কয়েক সপ্তাহ একদিন এমনকি কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। আর এই প্রবলেম থাকে যদি আমরা সল্ব করতে পারি।  তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে আমরা অনেক কিছু জানতে পারব এবং অনেক কাজ করতে পারবো।

শুধু আমাদের ব্রেইন কে ব্যবহার করে। আর নিউরোলিংক এই প্রবলেমটা কি সলভ করতে চায়। এটা একটা ডিলিট কানেকশন বানাতে চাই।আপনার ব্রেইনের সাথে আপনি কোন মেশিনে যে কাজটা করছেন। সেই মেশিনের সাথে মানে ধরুন যেমন ভাবে আমরা লেখা শুরু করেছিলাম একটা ফাউন্টেন পেন দিয়ে তারপর এল বল পেন পেন্সিল তারপর কিবোর্ড। বর্তমানে সিরি এবং গুগলের সাহায্যে আমরা কোন কিছু বলে সেটাকে টাইপ করতে পারি।এরপর এমন একটা সময় আসতে চলেছে যখন আমাদের কোন কিছু বলতেও হবে না। ডিরেক্টলি আমাদের ব্রেনের সাহায্যে কোন কিছু টাইপ হয়ে যাবে।

ব্রেনের কোন ইনফরমেশন কে বাইরে কোন জিনিসের মধ্যে আপনার অভিব্যক্তি দেখাতে পারে। তবে ওই ইনফরমেশনগুলো কি আপনার ব্রেইনের মধ্যে পাঠালি ওটা কি প্রসেস করারও দরকার হতে পারে। তবে ভয় পাবেন না, এখানে কোনো স্মৃতি ওকে আপনার ভিড়ের মধ্যে ঢুকানোর কথা আমি বলছি না। এটা একচুয়ালি খুবই ছোট্ট একটা ডিভাইস নিউরালিংকের 15 ই ফোর বাই ফোর মিলিমিটারের হতে পারে। যার মধ্যে প্রায় 1000 ইলেকট্রোড থাকবে। এমনকি এরকম দশটা চিপকে কেউও আপনার ব্রেনের মধ্যে ফিট করা সম্ভব। যার সাহায্যে ভেনের ট্রিটমেন্ট ইন ডিফারেন্ট অ্যাক্টিভিটি কে মেজর করা যেতে পারে। 

তবে বিভিন্ন কোম্পানি কিংবা নিউরো সার্জেন্ট ওরা নিজের ইচ্ছামত আপনার ব্রেনের মধ্যে যা কিছু ফিট করে দিতে পারে না। এর জন্য সরকারের কাছ থেকে একরুবাল দরকার  সাধারন মানুষ ব্যবহার করতে পারে। এই বিএমআই গুলো বিভিন্ন ধরনের পেশেন্টের বিভিন্ন বিভিন্ন প্রবলেমটা সলভ করতে পারে। মাত্র দুইশো ছাপ্পান্ন ইলেকট্রোড ব্যবহার অনেক পেশেন্ট কম্পিউটার কালচারকে মানে কম্পিউটারে যে এতটা থাকে ওটাকে নিজেদের মস্তিষ্কের সাহায্যে কন্ট্রোল করতে সমর্থ হয়েছে। এমনকি যাদের হাত কোনো দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা রোবোটিক আর্ম কেউ এর সাহায্যে ব্যবহার করতে পারে। 

আর নিউরোলিংক এর থেকে অনেক বেশি ইলেকট্রন ব্যবহার করবে। তাহলে নিশ্চয়ি বুঝতে পারছেন যে নিউড়ালিংক এর সাহায্যে কত কিনা করে যেতে পারে। প্রত্যেকটা ইলেকট্রোড 5 মাইক্রোমিটার মোটা একটা তারের সাহায্যে বা বলতে পারেন সুদূর সাহায্যে আপনার ব্রেনের মধ্যে প্রবেশ করানো হবে। যা মানুষের চুলের থেকে প্রায় 10 গুণ পাতলা এবং প্রত্যেকটাতে প্রতিষ্ঠা করে ইলেকট্রন থাকবে বলতে পারেন।এর সাইজটা মোটামুটি নিউরনের মতই এটা একটা গুড আইডিয় বলতে পারেন।

কারণ আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না যে কোন সাইজের কোন কিছুকেই আপনার মাথার মধ্যে ঢোকানো হোক। সুতরাং সাইজ ছোট ছোট হবে ততটাই ভালো। নিউরোলিংক গুলোকে আপনার ব্রেনের মধ্যে ঢোকানোর জন্য একটা রোবট তৈরি করেছে। যেটা একেবারে একুরেট নিয়মগুলোকে আমরা ব্রেনের ঢুকাতে পারবে আর ই রুট ছাড়াই এই কাজটা করা সম্ভব নয়। কারণ একটা সার্জেন্ট যতই এক্সপেরিয়েন্স হোক না কেন এত সরু তার কে একটা ব্রেনের মধ্যে ঢুকাতে কোন মানুষের হাত কোন ভাবেই সমর্থ নয়। রোবট যখন একটার পর একটা সূচকে আপনার মাথার মধ্যে প্রবেশ করাবে সবশেষে প্রায় 10,000 ইলেকট্রন আপনার মাথার মধ্যে ঢুকে যাবে যাদের প্রত্যেকটা আলাদা আলাদা নিউরনের অ্যাক্টিভিটি মেজর করতে পারবে। এবং ওই মেজারমেন্ট কে পরে এনালাইজ করাও সম্ভব। এগুলো সাহায্যে শুধুমাত্র ডিলিট করা সম্ভব নয় এর সাহায্যে ব্রেনের মধ্যে কোনটির তাকে ইনপুট দেওয়া যেতে পারে। মানে সহজ ভাষায় আপনি বলতে পারেন যে ব্রেনের মধ্যে কোনটির এটাকে আপলোড বা ডাউনলোড করা যেতে পারবে। 

তবে এই ব্রেন ইন প্লান্ট গুলোতে একেবারে নতুন তা কিন্তু নয় এমনকি উনিশ 950 এর দশক থেকে এটা শুরু হয়ে গিয়েছিল। আর এর সব থেকে বড় উদাহরণ হল কানের শোনার যন্ত্র। তবে অন্যান্য বিএমআই গুলো সিচুয়েশন গুলোকে যেমনভাবে অ্যাপ্রচ করে। তবে নিউরোলিংকের অ্যাপ্রচ টা একটু আলাদা। পেশেন্টের জন্য যে ডিফারেন্ট সিমুলেশন ডিভাইসকে ইমপ্ল্যান্ট করা হতো সেগুলো বলতে পারেন এটা পেরেকের মত ছিল যাকে মাথার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হতো। এটা ঠিক না কিন্তু তার ব্রেইনের অনেক প্রবলেম  শুরু করে এটা একটা প্রবলেম কিন্তু সল্ব করে কিন্তু তার সঙ্গে আরো প্রবলেম কে ডেকে আনে। পেশেন্টের সিজার হওয়া তার মধ্যে অন্যতম। আসলে আপনার ব্রেইন আপনার মাথার মধ্যে স্থির থাকে না। আপনিও যেমন ভাবে নড়াচড়া করেন ব্রেন ঠিক সেইভাবে নড়াচড়া করে মাথার মধ্যে এমন কি যখন আপনি চুপ করে বসে থাকেন। তখন আপনার ব্রেইন এর মধ্যে একটা মুভমেন্ট থাকে। আপনার প্রতিটা নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের সাথে এমনকি আপনার প্রত্যেকটা হট ভিডি এর সাথে। 

আর এটা একটা বড় সমস্যা যে কারনে নিউরোলিংক সার্জারি করার জন্য রোবট মাস্ট দরকার। আর এই সার্জারি খুব একটা কমপ্লেক্স হবে না।এমনকি ব্রিন কে কেটে খোলারও দরকার হবে না চিপতা লাগানোর জন্য মাত্র ৮ মিলিমিটারে 1 সেন্টিমিটার ও নয়। আর যে চিপটা নিউরোলিংক ব্যবহার করতে চলেছে সেটা কমপ্লিটলি ওয়ারলেস সবথেকে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো এই চিপ লাগানোর পরে আপনাকে কোন হসপিটালে কিংবা কোনো পার্টিকুলার জায়গায় যেতে হবে না। এই চিপ এর ইন্টারফেস ব্যবহার করার জন্য কোন ইউএসবি পোর্ট থাকবে না। এমনকি কারো সাহায্য দরকার পড়বে না। কারন এর পেছনে লাগানো একটা ছোট্ট কম্পিউটারের সাহায্যে ডিভাইস থেকে আপনি আপনার ফোন এর সঙ্গে কানেক্ট করতে পারবেন। মানে বলতে পারেন আপনার স্মার্টফোনটি আপনার শরীরের অঙ্গে পরিণত হয়ে যাবে। এই টেকনোলজি সাহায্যে কি কি করা যেতে পারে তার কোন সীমানা নেই। আর সবথেকে জিনিস হলো যে এই ডিভাইসগুলো সময়ের সাথে সাথে আরো ইমপ্রুভ হবে।

 ঠিক যেভাবে সেলফোন টেকনোলজি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইমপ্রুভ হয়েছে। আর আমি এখানে এমন কিছু বলবো না যেটা একেবারে সম্ভব নয়। তবে আমি কিছু এক্সাম্পল এবং কিছু আইডিয়া দিতে চলেছি সেটা ভবিষ্যতে সত্যি সত্যি সম্ভব। অনেক ভুল কাজ করার জন্য আমরা অনেক পাওয়ারফুল কম্পিউটারকে অ্যাসেম্বল করি ভালো কোন কোম্পানির গ্রাফিক্স কার্ড লাগাই অনেক বেশি লাগায়। তার সাহায্যে আমরা আল্ট্রা এইচডি তে গেম খেলতে পারি ভিডিও এডিটিং অনেক ফাস্ট হয় কিন্তু এই কাজগুলোকে করার জন্য আমাদের হাত ইউজ করতে হয়। হাত মানে কীবোর্ড আর মাউস ব্যবহার করতেই হয়। কিন্তু নিউরোলিন এটা চেঞ্জ করে দিতে পারে। যদি কোন পেশেন্ট তার ব্রেইনকে ব্যবহার করেই কোন রোবোটিক আর্ম কে কন্ট্রোল করতে পারে। 

তবে এটা অবিশ্বাস করার কিছুই নেই। যে কোনো গেমের মধ্যে যে ক্যারেক্টার আছে তাকে কিবোর্ড মাউস ছাড়া আপনি টোটালি আপনার মাইন্ডে সহজেই কন্ট্রোল করতে পারবেন। আর যেহেতু এটি বয়সটা ওয়ারলেস তাই ব্যাপারটা আরো ইজি হয়ে যায়। এরপর যদি তার সাথে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কে এড করা হয়। তাহলে নিশ্চয়ই আমি কল্পনা করতে পারছি না যে ব্যাপারটা কি হতে চলেছে। একটা গেম কে আপনি সম্পূর্ণভাবে ফিল করতে পারবেন। ধরুন আপনি কলকাতায় থাকেন এবং এক সপ্তার জন্য প্যারিসে ছুটি কাটাতে যেতে চান। কিন্তু এর আগে কখনও আপনি প্যারিসে যাননি তাই সেখানকার রাস্তাঘাট বিভিন্ন অ্যাড্রেস আপনার কোন ভাবেই জানা সম্ভব নয়। কিন্তু এমন কোন একটা লোক যে প্যারিসে থাকে। তার ব্রেনের অ্যাক্টিভিটি কে যদি ডাউনলোড করে আপনার ব্রেনের মধ্যে আপলোড করা যায়।

 তাহলে কিন্তু ইন্সট্যান্টলি আপনার প্যারিস সম্পর্কে অনেক বেশি ধারণা বেড়ে যাবে। সেখানকার এড্রেস, রাস্তাঘাট সবকিছু আপনি এমনভাবে আপনি এক্সপ্লোর করতে পারবেন। যেন আপনি কতদিন না প্যারিসে থাকতেন। এছাড়াও হাজারো জিনিস আছে আপনি আপনার ব্রেনের মেমোরি ব্যাকআপ নিয়ে সেটাকে হয়তো কোন রোবট এর মধ্যে ইন্সটল করে দিতে পারবেন। আমি জানি না এর ইউজ হয়তো লিমিটলেস হতে চলেছে। আমি ক্লিয়ারলি দেখতে পাচ্ছি যে এই টেকনোলজির আমাদের ফিউচার কে কিভাবে ইফেক্ট পরতে পারে। আর আপনি যদি মনে করেন যে আমরা ডিজিটাল দুনিয়ার একদম চরমসীমায় দাঁড়িয়ে আছে। তাহলে হয়তো আপনি জানেন না যে ভবিষ্যতে আমাদের জন্য কি অপেক্ষা করছেন।

আজকে এই পর্যন্ত যদি ভালো লাগে তবে একটা লাইক এবং বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে একদম ভুলবেন না। আবার দেখা হবে পরের কোন ইন্টারেস্টিং আরটিকেলে   ধন্যবাদ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url